ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: প্রার্থিতা রক্ষায় প্রার্থীরা
চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচনী প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষ হয়েছে গতকাল। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে সারাদেশের প্রায় ৩ শতাধিক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। মনোনয়ন বাতিল হওয়া প্রার্থীরা অনেকেই নিজেদের প্রার্থিতা টিকিয়ে রাখতে আপিল করছেন আজ। আপিল দায়ের করা যাবে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। ১০ জানুয়ারি শুরু হয়ে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে আপিল নিষ্পত্তি। তবে, বাদ পড়া প্রার্থীরা মনে করেন, তাদের মনোনয়ন বৈধ ছিল এবং তারা আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের অধিকার ফিরে পেতে চান, তাই আপিল করছেন। অথাৎ প্রার্থিতা রক্ষায় সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখছেন প্রার্থীরা। হলফনামায় তথ্যে গলদ, তথ্য গোপন, ঋণখেলাপি, দ্বৈত নাগরিকত্বের জটিলতা, স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সমর্থনকারী ভোটারের তথ্যে গরমিলসহ নানা অসংগতির কারণে এসব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। তবে তাদের আপিল করার সুযোগ রয়েছে বলে ইসি সূত্রে জানা যায়।ইসি সূত্রে আরো জানা গেছে, প্রার্থিতা বাতিল সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করা যাবে ৭ নির্দেশনা মেনে।নির্দেশনাগুলো হলো- ১. আপিল আবেদন কমিশনকে সম্বোধন করে স্মারকলিপি আকারে (নির্ধারিত ফরমেটে) দায়ের করতে হবে। ২. আপিল দায়েরকালে মনোনয়নপত্র গ্রহণ বা বাতিলের তারিখ, আপিলের কারণ সংবলিত বিবৃতি এবং মনোনয়নপত্র বাতিল বা গ্রহণ আদেশের সত্যায়িত কপি দাখিল করতে হবে। ৩. আপিল আবেদনের ১টি মূল কপিসহ সর্বমোট সাতটি কপি দাখিল করতে হবে।৪. আপিল আবেদন নির্বাচন কমিশনের আপিল আবেদন গ্রহণ সংক্রান্ত কেন্দ্রে নিজ নিজ অঞ্চলের নির্ধারিত বুথে জমা দিতে হবে। ৫. আপিল আবেদন ৫ জানুয়ারি ২০২৬ হতে ৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে দায়ের করতে হবে। ৬. আপিল কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত বা রায়ের কপির জন্য নির্ধারিত ফরমে আবেদন দাখিল করতে হবে। ফরমের নমুনা নির্বাচন কমিশনে আপিল দায়ের সংক্রান্ত কেন্দ্রীয় বুথ থেকে সংগ্রহ করা যাবে। ৭. আপিল দায়েরকারী অথবা আপিল দায়েরকারীর পক্ষে মনোনীত ব্যক্তি আপিলের রায়ের কপি সংগ্রহ করতে পারবেন। আপিল দায়েরের জন্য আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে থাকবে ১০টি বুথ।বুথ নং-১ (খুলনা অঞ্চল) : মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, নড়াইল, বাগেরহাট, খুলনা, সাতক্ষীরা জেলা।বুথ-২ (রাজশাহী অঞ্চল) : জয়পুরহাট, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, রাজশাহী, নাটোর, সিরাজগঞ্জ, পাবনা।বুথ-৩ (রংপুর অঞ্চল) : পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা।বুথ-৪ (চট্টগ্রাম অঞ্চল) : চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি এবং বান্দরবান।বুথ-৫ (কুমিল্লা অঞ্চল) : ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, চাঁদপুর, ফেনী, নোয়াখালী এবং লক্ষ্মীপুর।বুথ-৬ (সিলেট অঞ্চল) : সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ।বুথ-৭ (ঢাকা অঞ্চল) : টাংগাইল, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা, গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ।বুথ-৮ (ময়মনসিংহ অঞ্চল) : জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোণা।বুথ-৯ (বরিশাল অঞ্চল) : বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর।বুথ-১০ (ফরিদপুর অঞ্চল) : রাজবাড়ী, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর এবং শরীয়তপুর।ইসি সূত্র জানায়, ঋণখেলাপি, কর ফাঁকি, হলফনামায় তথ্যের গড়মিল এবং প্রার্থীর সই না থাকাসহ বিভিন্ন কারিগরি কারণে গত কয়েক দিনে বিপুল সংখ্যক প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা।সরেজমিনর চিত্রে দেখা যায়, মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া হেভিওয়েট প্রার্থী থেকে শুরু করে স্বতন্ত্রসহ সব পর্যায়ের নেতারাই প্রার্থিতা ফিরে পেতে আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা রক্ষায় আপিল করছেন কারণ এটি তাদের বৈধভাবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি পদক্ষেপ।প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্তকে ‘অন্যায্য’ দাবি করে অনেকে বলছেন, আশা করছি, কমিশন তাঁদের ন্যায়বিচার দেবে। আপিল প্রার্থীদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার শেষ সুযোগ দেয় এবং অনেক ক্ষেত্রে আপিলের ফল তাদের ভাগ্য নির্ধারণ করে মনে করছেন তারা। ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ও সাবেক এনসিপি নেত্রী তাসনিম জারার মোট ভোটারের মধ্যে ৪ হাজার ৩০০ জনের স্বাক্ষর প্রয়োজন ছিল। সেটা ঠিকই ছিল। বরং কিছু বেশি ভোটারের স্বাক্ষর ছিল।তবে যাচাইয়ে দেখা যায়, প্রস্তাবক ও সমর্থক হিসেবে নাম দেওয়া ১০ জনের মধ্যে ৮ জন ঢাকা-৯ আসনের ভোটার। বাকি ২ জন ওই আসনের ভোটার না হওয়ায় নির্বাচনবিধি অনুযায়ী তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তবে তাঁর আপিলের সুযোগ আছে।এ প্রসঙ্গে তাসনিম জারা বলেন, তিনি মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাছাই-বাছাইয়ে কোন কোন রিটার্নিং অফিসারের কর্মকাণ্ডে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।দলটি বলছে, তথ্য প্রমাণ, কাগজপত্র দাখিল করার পরও উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রার্থিতা বাতিল করে দেয়া মোটেও সমীচীন হয়নি। অপ্রয়োজনীয় ও অহেতুক কিছু বিষয়ে- যা আইনের দৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ নয়, এমন বিষয় ধরে প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। কোন একটি মহলের ইন্ধনে এসব করা হচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে বলেও মনে করছেন জামায়াতে ইসলামী।দলটির সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সারা দেশে সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন আসনে মনোনয়নপত্র দাখিল করার পর এমপি পদপ্রার্থীগণের মনোনয়নপত্র যাছাই-বাছাইয়ের কাজ শেষ হয়েছে। তবে যাছাই-বাছাইয়ের ক্ষেত্রে কোনো কোনো জেলার রিটার্নিং অফিসারদের কর্মকাণ্ডে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র পরিলক্ষিত হচ্ছে। কোনো কোনো জেলায় তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।তিনি বলেন, রিটার্নিং অফিসারের ব্যক্তিগত এখতিয়ারে পড়ে বা তিনি ব্যক্তি বিবেচনায় ছাড় দিতে পারতেন এমন ক্ষেত্রেও কঠোর নীতি অবলম্বন করা হয়েছে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে উদ্দেশ্যমূলকভাবে রিটার্নিং অফিসারদের বাড়াবাড়ি করার কারণে অনেক যোগ্য প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হয়েছে। প্রদত্ত তথ্য প্রমাণ, কাগজপত্র দাখিল করার পরও উদ্দেশ্যমূলকভাবে প্রার্থিতা বাতিল করে দেওয়া মোটেও সমীচীন হয়নি। তবে মনোনয়ন পত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীরা তাদের প্রার্থিতা রক্ষায় আপিলের সুযোগ নিচ্ছে বলেও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রাম : তিনটি আসনে মোট ১০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আশরাফ ছিদ্দিকী, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শহিদুল ইসলাম চৌধুরী এবং জাতীয় পার্টির (জাকের) মোহাম্মদ এরশাদ উল্ল্যার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। এরশাদ উল্ল্যা নিজেই নিজের প্রস্তাবকারী হওয়ায় নির্বাচন বিধিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে তার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী জিন্নাত আক্তার ও আহমদ কবির, খেলাফত মজলিসের আফরাফ বিন ইয়াকুব এবং গণঅধিকার পরিষদের রবিউল হাসানের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে জাতীয় পার্টির এম এ ছালাম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোয়াহেদুল মাওলা এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোহাম্মদ আমজাদ হোসেনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।বগুড়া : জেলার তিনটি আসনে যাচাই-বাছাই শেষে সাতজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করেছেন বগুড়া জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমান। এর মধ্যে বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি–সোনাতলা) আসনে দুজন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে চারজন এবং বগুড়া-৩ (আদমদীঘি–দুপচাঁচিয়া) আসনে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। হলফনামায় তথ্যের গরমিল থাকায় বগুড়া-২ আসনে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। বগুড়া-২ আসনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া অন্য প্রার্থীরা হলেন জাতীয় পার্টির জেলা সভাপতি শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ, গণঅধিকার পরিষদের সেলিম সরকার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রেজাউল করিম তালু। বগুড়া-১ আসনে মোট সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাজাদী আলম লিপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এবিএম মোস্তফা কামাল পাশার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। বগুড়া-৩ আসনে পাঁচজনের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী শাহজাহান আলী তালুকদারের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।যশোর : জেলার দুটি আসনে যাচাই-বাছাই শেষে ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। যশোর-৩ (সদর) আসনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন ও জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির নিজাম উদ্দিন অমিতের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়। যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর ও বসুন্দিয়া ইউনিয়ন) আসনে ১০ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী টিএস আইয়ুব, বিদ্রোহী প্রার্থী সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারহান সাজিদ ও জাতীয় পার্টির জহুরুল হকের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। টিএস আইয়ুবের নামে ঢাকা ব্যাংকে ঋণখেলাপি থাকার কারণে তার প্রার্থিতা বাতিল করা হয়।কক্সবাজার : কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে সাতজনের মধ্যে জামায়াতের এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম মওলার মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। মামলার যথাযথ নথি দাখিল না করায় আযাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়। কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ইসলামী আন্দোলনের সরওয়ার আলম কুতুবী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়।কুমিল্লা : জেলার ছয়টি আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। বিভিন্ন আসনে জাতীয় পার্টি, জাসদ, জামায়াত, সিপিবি, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস, কল্যাণ পার্টি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে অবৈধ ঘোষণা করা হয়।গাইবান্ধা : দুইটি আসনে আট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে সুন্দরগঞ্জ আসনে পাঁচজন এবং সদর আসনে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।মুন্সীগঞ্জ : মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপির এক বিদ্রোহী প্রার্থীসহ চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।বরিশাল : তিনটি আসনে দুজনের মনোনয়নপত্র বাতিল এবং দুজনের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে।খুলনা : দুটি আসনে জাতীয় পার্টির দুই প্রার্থীসহ তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।কুড়িগ্রাম : দুটি আসনে একজনের মনোনয়নপত্র বাতিল ও একজনের মনোনয়নপত্র স্থগিত করা হয়েছে।পাবনা : পাবনা-১ আসনে বিএনপির দুই বিদ্রোহী নেতার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়া সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদের প্রস্তাবককে ডিবি আটক করার অভিযোগ উঠেছে।রংপুর : দুটি আসনে ছয় প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।ব্রাহ্মণবাড়িয়া : তিনটি আসনে ছয়জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে।টাঙ্গাইল : চারটি আসনে বিএনপির দুই বিদ্রোহী প্রার্থীসহ মোট ৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এছাড়াও অনেকে মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। তবে আপিলের সুযোগ নিচ্ছে মনোনয়ন পত্র বাতিল হওয়া বহু প্রার্থী।প্রসঙ্গত, জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি, জাতীয় পার্টি-জাপা, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও বাংলাদেশে জামায়াতে ইসলামীসহ ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ২ হাজার ৯১টি মনোনয়নপত্র দাখিল করে।ভোরের আকাশ/এসএইচ